মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:০৫
শিরোনাম :
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

আইএস পরাজিত ‘খিলাফত’ শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছে : এসডিএফ

ডেক্সরিপোর্ট: সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট আইএস পরাজিত হওয়ার পর জঙ্গিগোষ্ঠীটির শেষ ঘাঁটি বাঘুজে বিজয় নিশান উড়িয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিদ্রোহী বাহিনী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস এসডিএফ।

এসডিএফের মুখপাত্র মুস্তাফা বালি টুইটারে এমন তথ্য লিখেছেন তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এসডিএফের মুখপাত্র মুস্তাফা বালি টুইটার বার্তায় দাবি করেছেন, বাঘুজ মুক্ত হয়েছে ও দায়েশের বিরুদ্ধে সামরিক বিজয় সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া তথাকথিত খিলাফতের পুরোপুরি পতন হয়েছে।

তিনি আরও লিখেছেন, জঙ্গিগোষ্ঠীটির শেষ ঘাঁটি বাঘুজে-তেও বিজয় নিশান উড়ানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তথাকথিত আইএস খিলাফতের পুরোপুরি পতন হয়েছে। বাঘুজের কাছে বিজয় অনুষ্ঠানে এসডিএফের ব্যান্ডদল যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা ও এসডিএফের দলীয় পতাকার সামনে মার্কিন জাতীয় সঙ্গীতও পরিবেশন করে।

বাঘুজ থেকে রয়টার্সের এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, শনিবার সকালেও গোলাগুলি ও মর্টারের গোলাবর্ষণ অব্যাহত ছিল। এ সময় এসডিএফের এক কমান্ডার সতর্ক করে বলেছেন, জঙ্গিদের স্লিপার সেলগুলো হামলার ষড়যন্ত্র করতে থাকায় সামনের সময়গুলো আরও ভয়াবহ হতে পারে।

বাঘুজ থেকে প্রচুর বেসামরিক লোক বের হয়ে আসার পর চূড়ান্ত অভিযান শুরু করে এসডিএফ। এ সময় দুপক্ষের চূড়ান্ত লড়াই কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়। একসময় সিরিয়া ও ইরাকের ৮৮ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। বাঘুজের লড়াইয়ে পরাজিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অবশিষ্ট শেষ এলাকাগুলোতে নিয়ন্ত্রণ হারাল তারা।

তবে তারা পরাজিত হলেও সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের উপস্থিতি বজায় আছে এবং নাইজেরিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান ও ফিলিপিন্সে তাদের আনুগত্য স্বীকার করা জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তৎপর রয়েছে।

মার্চের শুরুর দিকে কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ জোট আইএসের বিরুদ্ধে তাদের চূড়ান্ত লড়াই শুরু করে। এই সময়ে পূর্ব সিরিয়ার বাঘুজ গ্রামে আইএসের অবশিষ্ট যোদ্ধারা অবস্থান নিয়েছিল। আগে বোঝা না গেলেও অভিযান শুরুর পর বোঝা যায় অনেক বেসামরিক লোক বাঘুজে রয়ে গেছেন। ফলে তাদের সরে যাওয়ার সুযোগ দিতে আক্রমণ বন্ধ করে এসডিএফ।

চুড়ান্ত যুদ্ধের সময়ে বাঘুজে বিদেশি নাগরিকসহ কয়েক হাজার নারী ও শিশু এসডিএফ পরিচালিত উদ্বাস্তু শিবিরে আশ্রয় নেয়। এ সময় আইএসের অনেক যোদ্ধাও বাঘুজ ত্যাগ করে। তবে যারা সেখানে অবস্থান করেছিল তারা এসডিএফের বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তারা সেখানে আত্মঘাতী হামলা ও গাড়ি বোমা হামলা চালালেও শেষ রক্ষা হয়নি।